1st Molecular Diagnostic Lab in Bangladesh

 

পরিবারের সবার শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত Health Check Up করুন

অনেক সময় দেখা যায় আমাদের শরীরে প্রাণঘাতী রোগের উপস্থিতি আমরা বুঝতে পারি অনেক দেরিতে যার কারণে বড় ধরণের রোগের সম্মুখীন হই আমরা। অনেক দিন ধরে শরীরে জমতে থাকা ছোট ছোট রোগগুলোই কিন্তু বড় রোগের লক্ষণ হিসেবে ইঙ্গিত দিয়ে যায়। সময়মত রোগ শনাক্ত করা গেলে বড় বিপদ এড়ানো যায় সহজেই।

তাই শরীরে ছোট ছোট রোগগুলোকে অবহেলা না করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন, বড় ধরণের রোগ থেকে নিজেকে ঝুঁকিমুক্ত রাখুন। নিজের এবং পরিবারের সবার শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত Health Check Up করুন।

'Health Package 1' এখন বিশেষ ছাড়ে ৪০% কমে মাত্র ২,৪৯৯ টাকায়!
আজই DNA Solution Ltd. এ আপনার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন।
প্যাকেজ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ ০১৭৫১ ৫৯৪ ২০৪




ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ দেখা মাত্র দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করুন

জুলাই মাস পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৫০ ছাড়িয়েছে। প্রতিদিন এই সংখ্যা বেড়েই চলছে!
তাই ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ দেখা মাত্র দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

উপসর্গ গুলো হলোঃ
★ হঠাৎ জ্বর আসা
★ মাথা এবং অস্থিসন্ধি ব্যথা
★ চোখ জ্বলা
★ বমি বমি ভাব
★ ত্বকে লালচে র‍্যাশ

উপসর্গ গুলো দেখামাত্র দেশের প্রথম মলিকুলার ডায়াগনিস্টিক সেন্টার
DNA Solution Ltd. এ সর্বাধুনিক PCR পদ্ধতিতে একটি মাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে
জ্বরের প্রথম দিনই ডেঙ্গু/চিকুনগুনিয়া রোগ নির্ণয় করে
চিকিৎসা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন।

যে কোন পরামর্শের জন্য কল করুনঃ
০১৭৫১ ৫৯৪ ২০৪




Invest in Eliminating Hepatitis

বিশ্বে ত্রিশ কোটিরও বেশি মানুষ জানে না তারা ভাইরাল হ্যাপাটাইটিসে আক্রান্ত। বাংলাদেশে হেপাটাইটিস ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি।

এই বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যাকে সচেতন করতে না পারলে তা মহামারী আকার ধারণ করবে, মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।
তাই ২৮ জুলাই, বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে Invest in eliminating hepatitis প্রতিপাদ্য নিয়ে সবাইকে সচেতন করার মাধ্যমে হেপাটাইটিস নির্মূলে বিশ্বব্যাপী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে DNA Solution Ltd. বাংলাদেশের মানুষকে সচেতন করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
হেপাটাইটিস টেস্ট সম্পর্কে যে কোন তথ্য বা সাহায্যের জন্য কমেন্ট করুন।

নিজে টেস্ট করুন, শেয়ার করে অন্যকে সচেতন করুন।

আপনার, আমার ও আমাদের এতটুকু সচেতনতা রক্ষা করতে পারে আমাদের আশেপাশের প্রিয় মানুষজনদের জীবন, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে হেপাটাইটিস ভাইরাসের বিরুদ্ধে।




সুখবর! বাংলাদেশে নন-ইনভেসিভ প্রিনেটাল স্ক্রীনিং টেস্ট করবে ডিএনএ সল্যুশন

বাংলাদেশের সর্ব প্রথম মলি কুলার ডায়াগনস্টিক ল্যাব ডিএনএ সল্যুশন লিঃ গর্ভবতী মায়েদের প্রিনেটাল স্ক্রীনিং টেস্ট-নন-ইনভেসিভ প্রিনেটাল স্ক্রীনিং মেথড এর সূচনা করে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন। এই টেস্টে গর্ভবতী মায়েদের রক্ত থেকে ভ্রূণের ডিএনএ সংগ্রহ করে ক্রোমোসোমাল এ্যানিউপ্লয়েডি সনাক্ত করে ডাউন সিনড্রোম শিশুসহ জম্মগত ত্রুটি হবার সম্ভাবনার ঝুঁকি’র মধ্যে থাকা মায়েদের সেবা প্রদান করা হবে।

এই আমূল পরিবর্তনকে সামনে রেখে ডিএনএ সল্যুশন লিঃ, অবস্টেট্রিক্যাল এন্ড গাইনোকোলোজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি) এবং বাংলাদেশ পেরিনেটাল সোসাইটি (বিপিএস) ১২ অক্টোবর শনিবার ঢাকা ক্লাবে একটি সেমিনার আয়োজন করে,যার শিরোনাম ছিল ‘কনজেনিটাল ফেটাল অ্যাবনরমালিটিস এন্ড নন-ইনভেসিভপ্রিনেটাল টেস্টিং (এনআইপিটি)’।

বাংলাদেশের প্রথিতযশা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ টি.এ. চৌধুরী এই সেমিনারের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দেশে এই প্রথম এ ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে আসায় ডি এন এ সলিউনকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর মোহাম্মদ শহিদুল্লা এবং বিপিএসএর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর লাইলা আর্জুমান্দ বানু।

সেমিনারে ওজিএসবি’র প্রেসিডেন্ড প্রফেসর সামিনা চৌধুরী এবং জেনারেল সেক্রেটারি প্রফেসর ডাঃ সালেহা বেগম চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সেমিনারে ঢাকার স্বনামধন্য আড়াইশ এর অধিক স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন।

ডিএনএ সল্যুশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাবেদ ইকবাল পাঠান সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে দেশে মলিকুলার টেস্ট সহজলভ্য করতে তার কর্মতপরতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এখন থেকে সব ধরনের ডিএনএ টেস্টে এরজন্য আর বাহিরের দেশে যাওয়ার তেমনটা প্রয়োজন হবেনা। যা ডিএনএ সল্যুশন এ করাই সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউ’র বিশিষ্ট নিউওনেটোলজিস্ট প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবদুল মান্নান এবং গাইনি এন্ড অবস সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার রেজাউল করিম কাজল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইনঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শরীফ আক্তারুজ্জামান প্রবন্ধ উপস্থাপন করে বর্তমানে বাংলাদেশে জন্মগত ত্রুটির পরিস্থিতি এবং নতুন ডায়াগনস্টিক স্ক্রিনিং এ এনআইপিটির নিবন্ধনের গুরুত্ব আলোকপাত করেন।

এই সেমিনারে ডাক্তারগন একমত হয়েছেন যে, জন্মগত অস্বাভাবিকতা সনাক্ত করার জন্য এনআইপিটি বর্তমানে সর্বাধিক উন্নত এবং নিরাপদ পদ্ধতি যাহা ডিএনএ সল্যুশনে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

ডিএনএ সল্যুশন লিঃ’র হেড অব অপারেশন ডঃ মোঃ ফজলে আলম রাব্বি অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের ধন্যবাদ প্রদান করেন এবং ডিএনএ সল্যুশন লিঃ আনীত এ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির জনগনের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে ডাক্তারের আন্তরিক সহযোগী কামনা করেন।




DNA Solution Ltd introduces NIPT in Bangladesh

DNA Solution Limited, the first molecular diagnostic lab in Bangladesh, has introduced Non-Invasive Prenatal Testing (NIPT) to detect fetal chromosomal aneuploidies using cell free fetal DNA from maternal blood in Bangladesh.

The information was disclosed at a scientific seminar on ‘Congenital Fetal Abnormalities and Non-invasive Prenatal Testing (NIPT)’ in a city hotel on Saturday, said a press release of DNA Solution Ltd.

The seminar was jointly organised by DNA Solution Ltd., Obstetrical & Gynecological Society of Bangladesh (OGSB) and Bangladesh Perinatal Society (BPS).

The renowned gynecologist Prof Dr T A Chowdhury attended the seminar as Chief Guest where BPS president Prof Laila Arjumand Banu was present with Prof Mohammad Shahidullah in the chair.

Prof Samina Chowdhury, President, OGSB, Prof Dr Saleha Begum Chowdhury, Secretary General, OGSB;were present as the special guests along with more than 250 Gynae and Obs specialist of the country.

Jabed Iqbal Pathan said, “We would make available all DNA/RNA based test for the complex diseases in our international standard laboratory so that we cannot send any sample or patients to other countries.”

Noted Neonatologist Prof Dr Md Abdul Mannan, Dr Rezaul Karim Kazal, Associate Prof, Gynae and Obs, BSMMU and prominent Scientist and Educationist Prof Dr Sharif Akhteruzzaman, Department of Genetic engineering and Biotechnology, University of Dhaka presented the current scenario of birth defects in Bangladesh and its importance of newly diagnostic screening NIPT and its advantages.




দেশে প্রথম নন-ইনভেসিভ প্রিনেটাল স্ক্রীনিং টেস্ট শুরু করছে ডিএনএ সল্যুশন

বাংলাদেশের সর্ব প্রথম মলি কুলার ডায়াগনস্টিক ল্যাব ডিএনএ সল্যুশন লি. গর্ভবতী মায়েদের প্রিনেটাল স্ক্রীনিং টেস্ট-নন-ইনভেসিভ প্রিনেটাল স্ক্রীনিং মেথড এর সূচনা করে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন। এই টেস্টে গর্ভবতী মায়েদের রক্ত থেকে ভ্রুণের ডিএনএ সংগ্রহ করে ক্রোমোসোমাল এ্যানিউপ্লয়েডি সনাক্ত করে ডাউন সিনড্রোম শিশুসহ জম্মগত ত্রুটি হবার সম্ভাবনার ঝুঁকি’র মধ্যে থাকা মায়েদের সেবা প্রদান করা হবে।

এই আমূল পরিবর্তনকে সামনে রেখে ডিএনএ সল্যুশন লি., অবস্টেট্রিক্যাল এন্ড গাইনোকোলোজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি) এবং বাংলাদেশ পেরিনেটাল সোসাইটি (বিপিএস) শনিবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা ক্লাবে একটি সেমিনার আয়োজন করে। যার শিরোনাম ছিল ‘কনজেনিটাল ফেটাল অ্যাবনরমালিটিস এন্ড নন-ইনভেসিভপ্রিনেটাল টেস্টিং (এনআইপিটি)’।

বাংলাদেশের প্রথিতযশা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. টি এ চৌধুরী এই সেমিনারের প্রধান অতিথি থেকে দেশে প্রথম এ ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে আসায় ডি এন এ সলিউশনকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর মোহাম্মদ শহিদুল্লা এবং বিপিএসএর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর লাইলা আর্জুমান্দ বানু। সেমিনারে ওজিএসবি’র প্রেসিডেন্ড প্রফেসর সামিনা চৌধুরী এবং জেনারেল সেক্রেটারি প্রফেসর ডা. সালেহা বেগম চৌধুরী বিশেষ অতিথি ছিলেন। এছাড়াও সেমিনারে ঢাকার স্বনামধন্য আড়াইশ এর অধিক স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন।

ডিএনএ সল্যুশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাবেদ ইকবাল পাঠান বলেন, দেশে মলিকুলার টেস্ট সহজলভ্য করতে তার কর্মতপরতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এখন থেকে সব ধরনের ডিএনএ টেস্টের জন্য আর বাহিরের দেশে যাওয়ার তেমনটা প্রয়োজন হবেনা। যা ডিএনএ সল্যুশন এ করাই সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউ’র নিউওনেটোলজিস্ট প্রফেসর ডা. মো. আবদুল মান্নান এবং গাইনি এন্ড অবস সহযোগী অধ্যাপক ডা. রেজাউল করিম কাজল এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের জেনেটিক ইনঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. শরীফ আক্তারুজ্জামান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।




Noninvasive Prenatal Screening DNA Test in Bangladesh

DNA Solution Limited (DNA Solution), the first molecular diagnostic lab in Bangladesh, has brought a revolutionary change in prenatal screening by introducing Noninvasive Prenatal Testing (NIPT) which is able to detect fetal chromosomal aneuploidies using cell free fetal DNA from maternal blood.
Officials of DNA Solution disclosed this at a scientific seminar on 'Congenital Fetal Abnormalities and Non-invasive Prenatal Testing (NIPT) at Dhaka Club Limited in the capital on Saturday, said a press release.
DNA Solution Limited, Obstetrical & Gynaecological Society of Bangladesh (OGSB) and Bangladesh Perinatal Society (BPS) jointly organised the seminar.
Noted Gynecologist Professor Dr TA Chowdhury attended the seminar as the chief guest.
President of Bangladesh Medical and Dental Council Professor Mohammad Shahidullah presided over the seminar, while President of BPS Professor Laila Arjumand Banu attended the event.
OGSB President Professor Samina Chowdhury and Secretary General Professor Dr. Saleha Begum Chowdhury were present as special guests.
Managing Director of DNA Solution Jabed Iqbal Pathan also spoke on the occasion. More than 250 Gynae and Obs specialists of the country took part in the seminar.
Jabed Iqbal Pathan outlined the activities and future plan of DNA Solution Limited.
He said, We would make available all DNA / RNA based test for the complex diseases in our international standard laboratory so that we cannot send any sample or patients to other countries.
CEO of NIPRO JMI Pharma Md Mizanur Rahman also spoke on personalised medicine and pharmacogenomic issue of some frequent prescribing drugs in Bangladesh.
Head of Operations Dr Md Fazle Alam Rabbi placed vote of thanks to the co-organisers and participants for their interest and support to the DNA Solution.




আপনার বংশানুক্রমিক ভাবে স্তন ক্যান্সার এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুকি আছে কি?

বাংলাদেশে প্রতিবছর স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে ১২,৭৬৪ জন এবং বছরে মৃত্যু হচ্ছে ৬,৮৪৪ জনের!
এই স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি নির্ণয়ের জন্য বাংলাদেশে এই প্রথম ডিএনএ সল্যুশন লিমিটেড নিয়ে এলো বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এনজিএস (NGS) টেকনোলজি।
যার মাধ্যমে স্তন ক্যান্সার এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুকি নির্ণয়ের জন্য BRCA1 & BRCA2 জেনেটিক স্ক্রিনিং টেস্ট করা হয়।

বিশ্বের প্রায় ১২% মহিলা জীবদ্দশায় স্তন ক্যান্সার এবং ১.৩% নারী ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকেন। এখন বাংলাদেশেই সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এনজিএস (NGS)
টেকনোলজি ব্যবহার করে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে BRCA1 & BRCA2 জেনেটিক স্ক্রিনিং টেষ্ট করা হচ্ছে । যার মাধ্যমে জানা যাবে, বংশানুক্রমিক ভাবে স্তন ক্যান্সার এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুকি আছে কিনা। এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্ত করার মাধ্যমে দ্রুত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

এখন স্তন ক্যান্সার এবং ওভারিয়ান ক্যান্সার টেস্ট করার জন্য আর এত শ্রম ও অর্থ খরচ করে দেশে বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম মলিকুলার ডায়াগনস্টিক ল্যাব ডিএনএ সল্যুশন লিমিটেডে এই সকল টেস্ট করা সম্ভব। ডিএনএ সল্যুশন লিঃ এর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং সবার মধ্যে এসব রোগ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে আপনাদের সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
আমাদের সবার এতটুকু সচেতনতাই পারে ক্যান্সারের মত দূরারোগ্য ব্যাধিকে প্রতিরোধ করতে।
শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করুন।

টেষ্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ +৮৮০ ১৩১৩ ০৯৩০১৪, +৮৮০ ১৩১৩ ০৯৩০৩৭




পারিবারিক ভাবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি আছে কি?

আর নয় বিদেশ, গড়বো মোরা স্বদেশ।
বাংলাদেশে এই প্রথম ডিএনএ সল্যুশন লিমিটেড নিয়ে এলো বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এনজিএস (NGS) টেকনোলজি, যার মাধ্যমে নন-ইনভেসিভ প্রিনেটাল টেস্টিং (NIPT) এবং স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি নির্ণয়ের জন্য BRCA1 & BRCA2 জেনেটিক স্ক্রিনিং টেস্ট করা সম্ভব।

NIPT টেস্টের মাধ্যমে গর্ভবতী মায়ের রক্ত থেকে ভ্রূণের ডিএনএ সংগ্রহ করে, অনাগত বাচ্চার ক্রোমসোমে কোন অস্বাভাবিকতা আছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়। এটি একটি নন-ইনভেসিভ প্রক্রিয়া যার ফলে মায়ের মিস-ক্যারিয়েজ এর কোন ঝুঁকি থাকে না।

American College of Obstetrician and Gynaecology Society থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা আছে যাদের বয়স ৩০ বছর ও তার ঊর্ধ্বে, তারা যেন গর্ভাবস্থায় অবশ্যই ক্রোমোসোম পরীক্ষা করে। কারণ মায়ের বয়সের সাথে সাথে বাচ্চার ক্রোমোসোমের অস্বাভাবিকতার হার বাড়তে পারে। এমনকি এই অস্বাভাবিকতার কারণে বাচ্চা জীবনের ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণের মতে, জন্মগত অস্বাভাবিকতা সনাক্ত করার জন্য এনআইপিটি (NIPT) বর্তমানে সর্বাধিক উন্নত এবং নিরাপদ পদ্ধতি।

বিশ্বের প্রায় ১২% মহিলা জীবদ্দশায় স্তন ক্যান্সার এবং ১.৩% নারী ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকেন। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এনজিএস (NGS) প্রযুক্তি ব্যবহার করে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে BRCA1 & BRCA2 জেনেটিক স্ক্রিনিং টেস্ট করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, আপনার পারিবারিক ভাবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি আছে কিনা। এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্ত করার মাধ্যমে দ্রুত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

এখন NIPT এবং স্তন ক্যান্সার টেস্ট করার জন্য আর এত শ্রম ও অর্থ খরচ করে দেশের বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম মলিকুলার ডায়াগনস্টিক ল্যাব ডিএনএ সল্যুশন লিমিটেডে এই সকল টেস্ট করা সম্ভব। ডিএনএ সল্যুশন লিঃ এর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং সবার মধ্যে এসব রোগ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে আপনাদের সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

টেস্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ
01313 093014, 01751 594204




Gold Standard HPLC পদ্ধতির আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ভিটামিন ডি টেস্ট

দেশের প্রথম মলিক্যুলার ডায়াগনস্টিক ল্যাব বাংলাদেশে এই প্রথম নিয়ে এসেছে gold standard HPLC পদ্ধতির আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ভিটামিন ডি টেস্ট।
দক্ষিণ এশিয়ায় ৪০% এর অধিক মানুষ ভিটামিন ডি এর অভাবে ভোগছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ডি এর অভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।

আশঙ্কাজনক এই যে বাংলাদেশে এক গবেষণায় দেখা যায় বয়স্ক গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে প্রায় ৮১% মহিলা ভিটামিন ডি এর অভাবে ভোগে। ভিটমিন ডি এর অভাব দেখা দিলে মানব দেহে স্নায়ু-হাড়ক্ষয় জনিত রোগ, হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস এমনি কি মরণব্যাধি ক্যান্সার সহ নানা রকম জটিল রোগ দেখা যায়।
এই সব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সকলেরই উচিত ভিটামিন ডি টেস্ট করানো।

Gold standard HPLC method এর বৈশিষ্ট্য গুলো হলঃ

* ইহা সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি
* রক্তে সম্পূর্ণ ভিটামিন ডি(ডি2+ডি3) এর পরিমাণ নির্ণয় করে
* ভিটামিন ডি3 সাপ্লিমেন্ট গ্রহণকারী ব্যক্তির রক্তে ভিটামিন ডি3 এর কার্যকারীতা নির্ণয় করে
* দৈনন্দিন খাদ্যে ভিটামিন ডি2 এর পরিমাণ নির্ণয় করে।

এই পদ্ধতি দেশে প্রচলিত CLIA/ELISA পদ্ধতি গুলোর চেয়ে অনেক উন্নত। কারণ

* এতে ভুল পজিটিভ ফলাফল আসার কোন সম্ভাবনা নেই
* একদম নির্ভুল ভিটামিন ডি সনাক্তকরণ
* ঔষধের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা যাবে

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির High Performance Liquid Chromatography - HPLC Machine এর মধ্যমে এই টেস্ট করা হয় বলে এর ফলাফল অধিক নির্ভরযোগ্য।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং নির্ভরযোগ্যতার অপর নাম DNA Solution Ltd. এ আজই যোগাযোগ করুন Vitamin D টেস্ট সম্পর্কিত যে কোন জিজ্ঞাসার জন্য। এখন সম্পূর্ণ ভিটামিন ডি টেস্ট বাংলাদেশেই সম্ভব।
সুস্থ্য থাকুন, নিজে সচেতন হোন এবং শেয়ার করে আপনার পরিবার, প্রিয়জনদের সচেতন করুন।



থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলে, আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী হিমোগ্লোবিন কণার উৎপাদন ব্যাহত হয়। ফলে মারাত্মক রক্ত স্বল্পতা দেখা যায়।
পিতা মাতা থেকে সন্তানের দেহে জিনের মাধ্যমে এ রোগের সৃষ্টি হয়।অনেক সময় নিজের অজান্তেই পিতা মাতা এই রোগের জিন বহন করে। এদের থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার বলে। থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ারের কোন শারীরিক লক্ষণ না থাকায় তা খালি চোখে ধরা পড়ে না। কেবলমাত্র বাচ্চা জন্মদানের পরেই বাচ্চা থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হলে পরে তা বোঝা যায়। একারণে বিয়ের পূর্বেই কিংবা বাচ্চা গ্রহণের পূর্বে থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার সনাক্তকরণ পরীক্ষা করিয়ে নেয়া জরুরি।
তবে, থ্যালাসেমিয়া কোন ছোঁয়াচে/সংক্রামক রোগ নয়, একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় না। কেবলমাত্র যে বংশে এ রোগ আছে সেই বংশের লোকজনই বংশানুক্রমে এটা বহন করে চলে।
থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেন স্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ার ফলে অবসাদগ্রস্ততায় ভোগে, এমনকি এদের অঙ্গহানি ঘটতেও পারে।
শুধু তাই নয়, উপযুক্ত চিকিৎসা না হলে যার পরিণতি হতে পারে অকাল মৃত্যু!
প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ১ লক্ষ শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। আমাদের সারাদেশে এরোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখেরও বেশি। আর, দেশে দেড় কোটিরও বেশি মানুষ নিজের অজান্তেই এ রোগের জিন বহন করছে।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৪ দশমিক ১ ভাগ মানুষ বিটা থ্যালাসেমিয়ার বাহক।
তাই প্রতিরোধ এখনি!



থ্যালাসেমিয়া প্রধান দুই ধরনের

থ্যালাসেমিয়া দুইটি প্রধান ধরনের হতে পারে: আলফা থ্যালাসেমিয়া ও বেটা থ্যালাসেমিয়া। সাধারণভাবে বেটা থ্যালাসেমিয়া আলফা থ্যালাসেমিয়া থেকে অধিক তীব্র। আলফা থ্যালাসেমিয়া বিশিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে রোগের উপসর্গ মৃদু বা মাঝারি প্রকৃতির হয়। অন্যদিকে বেটা থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা বা প্রকোপ অনেক বেশি; এক-দুই বছরের শিশুর ক্ষেত্রে ঠিকমত চিকিৎসা না করলে এটি শিশুর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারণত শিশুর ১-১.৫ বছরের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়। উল্লেখযোগ্য লক্ষণগুলো হল-
* রক্তে অতিরিক্ত আয়রন
* অস্বাভাবিক অস্থি
* প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া
* অবসাদ অনুভব
* দূর্বলতা
* শ্বাসকষ্ট
* মুখ-মন্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
* অস্বস্তি
* ত্বক হলদে হয়ে যাওয়া (জন্ডিস)
* মুখের হাড়ের বিকৃতি
* ধীরগতিতে শারীরিক বৃদ্ধি
* পেট বাইরের দিকে প্রসারিত হওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া
* গাঢ় রঙের প্রস্রাব
* হৃৎপিণ্ডে সমস্যা
সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হল, থ্যালাসেমিয়া নিয়ে একবার জন্মগ্রহণ করলে তা আর কখনই সারিয়ে তোলা সম্ভব নয়। কিন্তু, সময়মত নেয়া যথাযথ পদক্ষেপের মাধ্যমে ভয়াবহ এই ব্যাধিকেও প্রতিরোধ করা সম্ভব।
তাই প্রতিরোধ এখনি!



বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে ২৮ জুলাই

আপনি কি এই ১ কোটি মানুষের একজন? বিশ্বে ত্রিশ কোটিরও বেশি মানুষ জানে না তারা ভাইরাল হ্যাপাটাইটিসে আক্রান্ত। বাংলাদেশে হেপাটাইটিস ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি। এই বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যাকে সচেতন করতে না পারলে তা মহামারী আকার ধারণ করবে, মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। তাই ২৮ জুলাই, বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে "Find The Missing Millions" প্রতিপাদ্য নিয়ে সবাইকে সচেতন করার মাধ্যমে হেপাটাইটিস নির্মূলে বিশ্বব্যাপী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে DNA Solution Ltd. বাংলাদেশের মানুষকে সচেতন করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। হেপাটাইটিস টেস্ট সম্পর্কে যে কোন তথ্য বা সাহায্যের জন্য কমেন্ট করুন। নিজে টেস্ট করুন, শেয়ার করে অন্যকে সচেতন করুন। আপনার, আমার ও আমাদের এতটুকু সচেতনতা রক্ষা করতে পারে আমাদের আশেপাশের প্রিয় মানুষজনদের জীবন, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে হেপাটাইটিস ভাইরাসের বিরুদ্ধে।


TOP